“সুন্নাতী বিবাহ” ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম!💐 প্রথমে ১০০% সত্য তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন। এরপর হোমপেজে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফী প্রদান করুন। এরপর প্রোফাইলে গিয়ে যোগাযোগের জন্য কানেকশন প্যাকেজ ক্রয় করুন। এরপর পাত্র-পাত্রী পরস্পর যোগাযোগ করে অভিভাবকদের তত্ত্বাবধানে পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করে সুন্নাত তরীকায় বিবাহ সম্পন্ন করুন। এরপর নির্ধারিত সাকসেস ফী প্রদান করুন। পাত্রপাত্রীর সন্ধান দিয়ে ইনকাম করুন💸

পাত্রী দেখার সময় আতিথিয়েতা ও উপহার

 

ইসলামি শরিয়তে পাত্রী দেখতে যাওয়ার সময়ের নাস্তা গ্রহণ এবং পাত্রীকে টাকা বা উপহার দেওয়ার বিধান নিম্নে দেওয়া হলো-

১. পাত্রীর পক্ষ থেকে নাস্তা বা আপ্যায়ন:

* মূল বিধান: পাত্রী দেখতে গেলে পাত্রপক্ষকে নাস্তা দেওয়া সম্পূর্ণ জায়েজ। এটি ইসলামে মেহমানদারির (আতিথেয়তা) অংশ হিসেবে গণ্য হয়।

* সতর্কতা: পাত্রীপক্ষের ওপর অপচয় বা সাধ্যের অতিরিক্ত খচর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। সাধারণ ও সাধ্যানুযায়ী আপ্যায়ন করাই সুন্নাহসম্মত।

২. পাত্রীকে টাকা বা উপহার দেওয়া:

* মূল বিধান: পাত্রী দেখার সময় পাত্রীর হাতে টাকা, শাড়ি বা কোনো উপহার দেওয়া একটি মুস্তাহাব বা শুভকামনামূলক সামাজিক রীতি (উপহার দেওয়া সুন্নাহ)।

হাদিসে এসেছে, “তোমরা একে অপরকে হাদিয়া (উপহার) দাও, এতে পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।” (আল-আদাবুল মুফরাদ)

* শরিয়তের দৃষ্টিকোণ:

* এটি মোহরানার (ম্যারেজ গিফট/দেনমোহর) অংশ নয় এবং বিবাহ সম্পন্ন করার পূর্বশর্তও নয়।

* এটি কেবল একটি উপহার। পরবর্তীতে কোনো কারণে যদি প্রস্তাব ভেঙে যায় বা বিয়ে না হয়, তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে সেই প্রদত্ত উপহার বা টাকা ফেরত চাওয়া অনুচিত (যদি না তা স্পষ্ট শর্তের ভিত্তিতে দেওয়া হয়ে থাকে)।

* এটিকে সামাজিক বাধ্যবাধকতা মনে করে জোরজুলুম বা লোকদেখানো উদ্দেশ্যে করা যাবে না।
সারসংক্ষেপে, উভয় কাজই ইসলামে বৈধ ও প্রশংসনীয়, যতক্ষণ না এতে অপচয়, প্রদর্শন ইচ্ছা (রিয়া) বা বাধ্যবাধকতার সৃষ্টি হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WhatsApp