“সুন্নাতী বিবাহ” ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম!💐 প্রথমে ১০০% সত্য তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন। এরপর হোমপেজে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফী প্রদান করুন। এরপর প্রোফাইলে গিয়ে যোগাযোগের জন্য কানেকশন প্যাকেজ ক্রয় করুন। এরপর পাত্র-পাত্রী পরস্পর যোগাযোগ করে অভিভাবকদের তত্ত্বাবধানে পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করে সুন্নাত তরীকায় বিবাহ সম্পন্ন করুন। এরপর নির্ধারিত সাকসেস ফী প্রদান করুন। পাত্রপাত্রীর সন্ধান দিয়ে ইনকাম করুন💸

ঘটকের জন্য পাত্রী দেখা বা পাত্রীর ছবি দেখার বিধান 

 

দাম্পত্য জীবন সুখময় হওয়ার জন্য পাত্র পাত্রী পরস্পরকে দেখে পছন্দ করে বিয়ে করা মুস্তাহাব।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

فَانْكِحُواْ مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاء

অর্থ, ‘তোমরা বিবাহ কর সেই স্ত্রীলোক, যাদেরকে তোমাদের ভাল লাগে।’ -(সূরা নিসা: ৩)

হাদীসে আছে, আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, মুগিরাহ ইবনে শুবাহ (রা) এক মহিলাকে বিয়ে করার ইচ্ছা করলে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন,

فَانْظُرْ إِلَيْهَا فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا

“তুমি তাকে দেখে নাও। কেননা তা তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।”

অতঃপর তিনি তাই করলেন এবং তাকে বিয়ে করলেন। পরে তাঁর নিকট তাদের দাম্পত্য সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করা হয়।

-(তিরমিযি ১০৮৭, নাসায়ি ৩২৩৫, দারেমি ২১৭২, সহিহাহ ১/১৫১-১৫২)

অপর একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,

: عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ – رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ – صلى الله عليه وسلم – قَالَ لِرَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً: «أَنَظَرْتَ إِلَيْهَا?» قَالَ: لَا. قَالَ: اذْهَبْ فَانْظُرْ إِلَيْهَا

অর্থ, আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত যে, একজন মহিলাকে বিবাহ করতে যাচ্ছেন এমন একজন সাহাবীকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি মেয়েটিকে দেখেছ?  সাহাবি বললেন, না। তিনি বললেন, “যাও, তাকে দেখ।” -(মুসলিম ১৪২৪)

বিয়ের আগে পাত্র গাইরে মাহরাম হওয়া সত্বেও  ইসলাম শুধু পাত্রকে পাত্রী দেখার অনুমতি দিয়েছে। অন্য কোন গাইরে মাহরাম পুরুষদেরকে পাত্রী দেখার অনুমতি দেয়নি। সুতরাং ঘটক হোক বা পাত্রের বাপ চাচা হোক কারো জন্যই পাত্রী দেখা জায়েয নাই। বরং সম্পূর্ণ হারাম।

আর পাত্রীর ছবি গাইরে মাহরাম ঘটক তো দূরের কথা পাত্রকেও দেওয়া জায়েয নাই। কেননা পাত্র এই ছবি নিয়ে বার বার দেখতে পারে বা বিভিন্ন ফেতনা সৃষ্টি করতে পারে। মোটকথা মেয়েদের ছবি কাউকেই দেওয়া উচিত নয়।

পাত্রীর বায়োডাটা সঠিক কি না এটা যাচাই করার দায়িত্ব ঘটকেন না। সুতরাং ঘটক মেয়ের বায়োডাটার তথ্য বিশ্বাস করলেও কিছু যায় আসে না, আর না করলেও কিছু যায় চসে না। পাত্রীর বায়োডাটা সঠিক কি সঠিক না  পাত্র যখন পাত্রী দেখবে তখনি তা প্রমান হয়ে যাবে।

সুতরাং এই খোড়া অযুহাত দেখিয়ে ঘটকের জন্য কোন পাত্রীকে দেখতে চাওয়া বা পাত্রীর ছবি দেখতে চাওয়া মস্তবড় অন্যায়।

ইসলামে বেগানা (গাইরে-মাহরাম) নারী ও পুরুষের মধ্যকার পর্দা ও দৃষ্টি সংবরণের বিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কুরআনুল কারীমের আয়াত ও হাদিসসমূহ তুলে ধরা হলো:

১. পবিত্র কুরআনের আয়াতসমূহ

১. পুরুষদের দৃষ্টি অবনত রাখার নির্দেশ:

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ۚ ذَٰلِكَ أَزْكَىٰ لَهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ

“মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটি তাদের জন্য অধিক পবিত্র। তারা যা করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবহিত।” — [সূরা আন-নূর: ৩০]

২. নারীদের পর্দা ও দৃষ্টি সংবরণের নির্দেশ:

وَقُل لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا ۖ وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّ…

“আর মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। আর তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, কেবল তা ছাড়া যা সাধারণত প্রকাশ পেয়ে যায়। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশ ঢেকে রাখে…” — [সূরা আন-নূর: ৩১]

৩. বাইরে বের হওয়ার সময় জিলবাব (চাদর/বোরকা) ব্যবহারের নির্দেশ:

يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ ۚ ذَٰلِكَ أَدْنَىٰ أَن يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ ۗ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا

“হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগণকে, আপনার কন্যাগণকে এবং মুমিনদের নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের অংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়। এতে তাদের চেনা সহজ হবে, ফলে তাদের উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” — [সূরা আল-আহযাব: ৫৯]

৪. পরপুরুষের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে সতর্কতা:

فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلًا مَّعْرُوفًا

“সুতরাং তোমরা পরপুরুষের সাথে কোমল বা আকর্ষণীয় কণ্ঠে কথা বলো না, এতে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হতে পারে। বরং তোমরা ন্যায়সংগত স্বাভাবিক কথা বলো।” — [সূরা আল-আহযাব: ৩২]

২. হাদিসের নির্দেশনা

১. আকস্মিক দৃষ্টি পড়লে চোখ ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ:

জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “আমি রাসুলু

……فقط. والله اعلم بالصواب …….

🖍️উত্তর লিখনে-

মুফতী রিয়াজুল ইসলাম হানাফী

(👉🏿শরয়ী মাসয়ালার সামাধান জানতে যোগাযোগ করুন –

📱01339868000 (imo+Whatsapp)

📧contact.hanafifatawa@gmail.com

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WhatsApp